• Fee Pay | Credit Card Service
  • Study in China with Scholarship
  • call for advertisement
  • call for advertisement
বাউয়েট এর ১৪তম একাডেমিক কাউন্সিল সভা অনুষ্ঠিত সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের উপবৃত্তি নিয়ে মাউশির জরুরি নির্দেশনা ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজের স্নাতকোত্তর পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ নর্দান ইউনিভার্সিটিতে সফট স্কিলস ডেভেলপমেন্ট ট্রেনিং অনুষ্ঠিত এইচএসসির ফল মোবাইলে পেতে প্রি-রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস স্কুল-কলেজে উদ্‌যাপনের নির্দেশনা দিলো মাউশি দেশে প্রতি ২ কিলোমিটারের মধ্যে স্কুল না থাকলে স্থাপনের সুপারিশ একাদশের শিক্ষার্থীদের প্রতিষ্ঠান বদলের আবেদন শুরু ১০ জানুয়ারি ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজের নতুন সমন্বয়কারী মাকসুদ কামাল For Advertisement Call Us @ 09666 911 528 or 01911 640 084 শিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা নিতে ও এডু আইকন ফোরামে যুক্ত হতে ক্লিক করুন Career Opportunity at Edu Icon: Apply Online চায়নায় স্নাতকোত্তর লেভেল এ সম্পূর্ণ বৃত্তিতে পড়াশুনা করতে যোগাযোগ করুন: ০১৬৮১-৩০০৪০০ | ০১৭১১১০৯ ভর্তি সংক্রান্ত আপডেট খবরাখবর এর নোটিফিকেশন পেতে ক্লিক করুন আবুজর গিফারী কলেজে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে অনলাইনে ভর্তির জন্য যোগাযোগ-০১৭১৯৪৮১৮১৮ All trademarks and logos are property of their respective owners. This site is not associated with any of the businesses listed, unless specifically noted.
  • PSL| Higher Study in India

ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কেন পড়বেন

Online Desk | July 28, 2018
প্রতিকী ছবি

প্রতিকী ছবি

বর্তমান বিশ্বে দক্ষ তরুণ প্রজন্ম গড়ে তুলতে সবার আগে প্রয়োজন হাতে-কলমে বা বাস্তবমুখী শিক্ষার। আর হাতে-কলমে বা বাস্তবমূখী শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষতা অর্জনের শিক্ষাকেই কারিগরি শিক্ষা বলে। উন্নত বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও এখন কারিগরি এবং বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব জোরদার করা হচ্ছে।

কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ হয়ে ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে আপনাকে পড়তে হবে কারিগরি শিক্ষা ইন্সটিটিউটগুলোতে। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসব প্রতিষ্ঠান চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সগুলো পরিচালনা করে থাকে। দেশের প্রায় প্রতিটি জেলায় সরকারি কারিগরি শিক্ষা ইন্সটিটিউট রয়েছে। এছাড়াও প্রত্যেক জেলাতেই বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা ইন্সটিটিউট রয়েছে।

এসএসসি পাসের পর এসব প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন কোর্সে ভর্তির সুযোগ পাওয়া যায়। দেশে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের রয়েছে অপার সম্ভাবনা। প্রতি বছর হাজার হাজার শিক্ষার্থী ভর্তি হচ্ছে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে। চলুন জেনে নেওয়া যাক ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পর্কে বিস্তারিত...

ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কি?
প্রকৌশল বা ইঞ্জিনিয়ারিং হচ্ছে মানুষের সমস্যাবলী সমাধান এবং জীবনকে সহজ করার জন্য বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত জ্ঞানের প্রয়োগ। প্রকৌশলীগণ বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, গণিত এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রয়োগ করুনবার জন্য তাঁদের কল্পনাশক্তি, বিচারক্ষমতা এবং যুক্তিপ্রয়োগক্ষমতা ব্যবহার করেন। এর ফলাফল হচ্ছে উন্নততর নিত্যপ্রয়োজনীয় বস্তু ও নিত্যব্যবহার্য কর্মপদ্ধতির আবির্ভাব যেটি প্রতিদিনের জীবনকে সহজ করে দেয়।

আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে হলে এইচএসসি (HSC) বা উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পাশের পর যে কেবল প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি হলেই বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং সম্ভব।

তুলনামূলক কম সময়ে কোর্স সমাপ্তি আর কোর্স শেষে ন্যূনতম চাকরির নিশ্চয়তা থাকে এখানে। এ দুয়ে মিলে ডিপ্লোমা প্রকৌশলের চাহিদা বর্তমানে শিক্ষার্থীদের কাছে সবচেয়ে বেশি। চার বছর মেয়াদি এই কোর্সে ভর্তি হতে হয় এসএসসি বা মাধ্যমিকের পর। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় পরিচালিত ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে বিভিন্ন জেলা শহরে অবস্থিত সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাড়াও ইনস্টিটিউট অব গ্লাস অ্যান্ড সিরামিক, গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ সার্ভে ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হয়। সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ভর্তির জন্য আবেদন করতে চাইলে গণিত বা উচ্চতর গণিত বিষয়ে জিপিএ ৩.০০সহ কমপক্ষে জিপিএ ৩.৫০ পেয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। এছাড়া বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ভর্তির জন্য গণিতে জিপিএ ২.০০ পেলেই চলবে।

ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কেন পড়বেন?
বিশ্বের যে সব দেশ কারিগরি শিক্ষাকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে সেই সব দেশ তত বেশি অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হয়েছে। উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের উন্নয়নের কর্মধারা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, দেশের সকল শ্রেণির শিক্ষিত জনগোষ্ঠী সমন্বিত অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখলেও এক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে কারিগরি শিক্ষা।

যে প্রতিষ্ঠানে পড়ানো হয়: বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরিচালিত বিশেষায়িত কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যেখানে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তব ও কর্মমুখী শিক্ষা দেওয়া হয়। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরিচালিত শিক্ষাক্রমগুলো হলো ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা ইন এগ্রিকালচার, ডিপ্লোমা ইন ফরেস্ট্রি, ডিপ্লোমা ইন মেরিন টেকনোলজি, ডিপ্লোমা ইন হেলথ টেকনোলজি, এইচএসসি (ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা), এইচএসসি (ভোকেশনাল) ও এসএসসি (ভোকেশনাল)। বোর্ডের অধীনে চার বছর মেয়াদি শিক্ষাক্রম পরিচালিত হয়। বর্তমানে ৪৯টি সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট রয়েছে। এর মধ্যে পুরনো ইনস্টিটিউটের সংখ্যা ২০টি, যেগুলো পুরোপুরি সরকারি। নতুন রাজস্বভুক্ত ইনস্টিটিউটের সংখ্যা ৫টি, মনোটেকনিক ইনস্টিটিউট ৪টি, প্রকল্পভুক্ত ১৮টি ও মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সংখ্যা ৩টি। এ ছাড়া ৬৪টি ‘টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ’ এবং ৪টি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ রয়েছে। বেসরকারি পলিটেকনিকের সংখ্যা ৩৮৭টি।

যে বিষয়ে পড়তে পারেন:
কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে অধীনে সেমিস্টার ভিত্তিতে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর পড়ানো হয়। উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো হচ্ছে- সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং, আর্কিটেকচার ইঞ্জিনিয়ারিং, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং, এনভায়রনমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং, রিফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং ইঞ্জিনিয়ারিং, ইন্সট্রমেন্টশন অ্যান্ড প্রসেস কন্ট্রোল ইঞ্জিনিয়ারিং, টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং। এ বিষয়গুলোতে পড়ালেখা করে বসে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম।

শিক্ষা সংক্রান্ত খবরাখবর নিয়মিত পেতে রেজিস্ট্রেশন করুন অথবা Log In করুন।

Account Benefit
ভর্তি সংক্রান্ত তথ্যাদি:
ভর্তি সংক্রান্ত সব তথ্যের জন্য কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট www.bteb.gov.bd অথবা www.techedu.gov.bd ভিজিট করতে পারেন পলিটেকনিকে ভর্তি হতে আগ্রহী শিক্ষার্থীরা।

ভর্তি পরীক্ষার নিয়ম: ৫০ নম্বরের (বিজ্ঞান ১৫, গণিত ১৫, বাংলা+ইংরেজি ১৫, সাধারণ জ্ঞান ৫) এমসিকিউ সিস্টেমে পরীক্ষা নেওয়া হবে। শুধু উত্তরপত্রে সঠিক উত্তরটি ভরাট করতে হবে। সময় থাকবে ৫০ মিনিট। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১ নম্বর করে। মোট ১০০ নম্বর নিয়ে মেধাতালিকা প্রণয়ন করবে। তার মধ্যে বাকি ৫০ নম্বর হচ্ছে আপনার এসএসসি জিপিএ অর্থাৎ প্রাপ্ত জিপিএকে ১০ দ্বারা গুণ করে তার সঙ্গে যোগ করা ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল দেবে। এসএসসিতে সাধারণ গণিত, বিজ্ঞান, উচ্চতর গনিত এ বিষয়গুলোয় ভালো গ্রেড তুলতে পারলে ভর্তি পরীক্ষায় চান্স পেতে সহায়ক হবে। আর বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্ররা ভর্তি পরীক্ষায় বেশি চান্স পায়।

পড়াশোনার খরচ: সরকারি পলিটেকনিকে চার বছরে আপনার পড়াশোনার খরচ পড়বে কমবেশি ৫০ হাজার টাকা। বেসরকারি পলিটেকনিকে পড়াশোনার খরচ একটু বেশি। সেখানে প্রতিষ্ঠান ও বিষয়ভেদে খরচ পড়বে আলাদা আলাদা। সে ক্ষেত্রে ৯০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকার মতো খরচ হবে। এ ছাড়া গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের আর্থিক সুবিধার জন্য বিশ্বব্যাংক ও কানাডার যৌথ উদ্যোগে বিশেষ বৃত্তির ব্যবস্থা রয়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান জনপ্রতি মাসিক ৮০০ টাকা শিক্ষা বৃত্তি দিয়ে থাকে।

উচ্চশিক্ষার সুযোগ: যারা উচ্চতর ডিগ্রির প্রতি আগ্রহী তারা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলো থেকে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স সম্পন্ন করে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জন্য ভর্তি হতে পারেন ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), অ্যাসোসিয়েট মেম্বার অব দ্য ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্সসহ (এএমআইই) এবং দেশের বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে। এ ছাড়া রয়েছে বিদেশেও পড়াশোনার সুযোগ। চাকরির পাশাপাশি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ইভিনিং শিফটে বিএসসি করা যায়। চাকরির পাশাপাশি নিজের উপার্জন দিয়েই বিএসসি করা সম্ভব। বিএসসি পাস করে আরও ভালো চাকরি পেতেও বিশেষ সুবিধা পাওয়া যায়, কারণ ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করার প্র্যাক্টিক্যাল অভিজ্ঞতা তাদের আছে। ইন্ডাস্ট্রির অভিজ্ঞতা থাকায় বিএসসির কোর্সগুলো ভালোভাবে আত্মস্থ করতে সুবিধা হয় ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের।

সেরা প্রতিষ্ঠানসমূহ :
সরকারির প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বেসরকারি যেসব প্রতিষ্ঠানে এ চার বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ানো হয় সেগুলোর মধ্যে ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি (এনআইইটি), বিজিআইএফটি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি (বিআইএসটি), ন্যাশনাল প্রফেশনাল ইনস্টিটিউট (এনপিআই), ওয়েস্টার্ন আইডিয়াল ইনস্টিটিউট (ডাব্লিওআইআই) অন্যতম।

দেশের প্রথম সারির ইন্সটিটিউট এনআইইটি -তে শিক্ষার্থীরা
সাফল্যের ধারাবাহিকতায় প্রতি বছর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট’র ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারী শিক্ষার্থীরা চাকরির ক্ষেত্রে দেশের খ্যাতনামা সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে যোগদান করছেন। বিশেষ করে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা ও এর উপযোগিতা সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হওয়ার ফলে সেই পরিস্থিতির সঙ্গে দ্রুত খাপ খাইয়ে নিতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। অর্থনীতির আকার দিন দিন প্রসারিত হচ্ছে। সে সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ছে বহির্বিশ্বের সঙ্গে। তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে নিজেকে অন্যের কাছে তুলে ধরা বা যেকোনো নতুন সুযোগকে কাজে লাগাতে তথ্যপ্রযুক্তির ছেলেমেয়েরাই এগিয়ে থাকে। নিজেকে তুলে ধরতে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারেও তারা অনেক বেশি পারদর্শী হয়।
More detail about
National Institute of Engineering and Technology (NIET) Dhaka

  • PSL| Higher Study in India
Submit Your Comments:
  • call for advertisement
  • PSL| Higher Study Oppertunity
  • ADDRESSBAZAR | YELLOW PAGE
  • call for advertisement
  • call for advertisement
  • Scholarship| Study in China
  • Personal Horoscope | Rashi12.com