• Daffodil Polytechnic Institute: DPI
  • Fee Pay | Credit Card Service
  • Study in China with Scholarship
মেডিকেল ভর্তির ফল প্রকাশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ বাউয়েট ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নবীণবরণ অনুষ্ঠিত ইবিতে মধ্যরাতে প্রভোস্টের পদত্যাগ চেয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ২২ দিন দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি ও র‍্যাগিং বন্ধে রিট মাধ্যমিকের পাঠ্যবই শিক্ষার্থীদের একার পক্ষে সমাধান সম্ভব নয়: উপমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে র‌্যাগিং রোধে বিশেষ সেল: শিক্ষামন্ত্রী বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু; প্রতি আসনে লড়ছে ১১ দশমিক ৪২ শতাংশ এক বছর বন্ধ নার্স নিবন্ধন পরীক্ষা For Advertisement Call Us @ 09666 911 528 or 01911 640 084 শিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা নিতে ও এডু আইকন ফোরামে যুক্ত হতে ক্লিক করুন Career Opportunity at Edu Icon: Apply Online চায়নায় স্নাতকোত্তর লেভেল এ সম্পূর্ণ বৃত্তিতে পড়াশুনা করতে যোগাযোগ করুন: ০১৬৮১-৩০০৪০০ | ০১৭১১১০৯ ভর্তি সংক্রান্ত আপডেট খবরাখবর এর নোটিফিকেশন পেতে ক্লিক করুন চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা কোর্সে Daffodil Polytechnic-Dhaka -তে ভর্তি চলছে All trademarks and logos are property of their respective owners. This site is not associated with any of the businesses listed, unless specifically noted.
  • Digital Marketing

পাবলিক পরীক্ষায় পাস নম্বর হবে ৪০

Online Desk | June 17, 2019 11:38:18 AM
প্রতিকী ছবি

প্রতিকী ছবি

পাবলিক পরীক্ষায় পূর্ণমান ১০০-এর বিপরীতে পাস নম্বর নির্ধারণ করা হচ্ছে ৩৩ থেকে বাড়িয়ে ৪০। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ উদ্যোগ নিয়েছে। একই সঙ্গে পাবলিক পরীক্ষাল ফল প্রকাশের পদ্ধতিতেও আনা হচ্ছে পরিবর্তন। বর্তমান গ্রেডিং সিস্টেম যুগোপযোগী করে সর্বোচ্চ ফল (গ্রেড পয়েন্ট অ্যাভারেজ-জিপিএ) ৫ এর পরিবর্তে ৪ নির্ধারণ করা হচ্ছে। এ পদ্ধতিতে 'এ প্লাস' বলতে কিছু থাকবে না। পরীক্ষার ফলের আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সমতা রাখতেই এসব পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা এটি নিয়ে কাজ করছেন বর্তমানে। আগামী ২৬ জুন এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি প্রতিবেদন পেশ করবেন তারা। গত ১২ জুন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির উপস্থিতিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সব শিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়ে গঠিত আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানদের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানই উপস্থিত ছিলেন। সভায় উপস্থিত রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ বলেন, 'সভায় পাবলিক পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।'

সভা সূত্র জানায়, পাবলিক পরীক্ষার পাস নম্বর ও ফল প্রকাশ নিয়ে সভায় বিশদ আলোচনা হয়। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সভায় বলেন, আমাদের দেশে শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সবাই জিপিএ ৫ এর জন্য ছুটছে। অথচ পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশেই জিপিএ ৪ এর মধ্যে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তিনি এ বিষয়টি ভেবে দেখার আহ্বান জানান। এর পরই এ নিয়ে কাজ শুরু করেছেন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা।

আগামী ২৬ জুন আবারও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানদের সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর সভা হওয়ার কথা রয়েছে বলে জানান কয়েকজন বোর্ড চেয়ারম্যান।

পাস নম্বর বাড়ানোর ভাবনা কেন- জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব নাম প্রকাশ না করার শর্তে গণোমাধ্যমে বলেন, 'শিক্ষার মান নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ওঠায় মূলত এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। বেশ কয়েক বছর ধরেই বিভিন্ন মহল থেকে বলার চেষ্টা করে হচ্ছে- দেশে শিক্ষার মান পড়ে যাচ্ছে। তবে এ তথ্য সঠিক নয় বলেই সরকার মনে করে। এ জন্য পাস নম্বর বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া পৃথিবীর বহু উন্নত দেশে পাস নম্বর ৪০ নির্ধারিত রয়েছে।'

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ২০০১ সাল থেকে পাবলিক পরীক্ষায় গ্রেডিং সিস্টেম চালু করা হয়। এ পদ্ধতি চালুর পর থেকে প্রতি বছর পাবলিক পরীক্ষায় পাসের হার বাড়ছে। পাশাপাশি নতুন সৃজনশীল প্রশ্নপত্র ও মূল্যায়ন ব্যবস্থায় উত্তরপত্রে শিক্ষকদের নম্বর দেওয়ার প্রবণতাও আগের থেকে বেড়েছে। পরীক্ষার্থীরা এখন পরীক্ষায় আগের থেকে বেশি নম্বর পাচ্ছে। এসব বিষয় মাথায় রেখে পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০ করার চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বিষয়টি এখনও চিন্তা-ভাবনার মধ্যে থাকলেও এ বিষয়ে সংশ্নিষ্টরা সবাই ইতিবাচক। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের এক কর্মকর্তা বলেন, 'বিষয়টি আমাদের ভাবনায় রয়েছে। শিক্ষার উন্নয়নে বিভিন্ন চিন্তা-ভাবনা আমাদের আছে।'

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এসএসসি, এইচএসসি, জেএসসি ও প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় পাসের হার প্রতি বছর বাড়ছে। কিন্তু শিক্ষাসংশ্নিষ্ট ব্যক্তিরা অভিযোগ করে আসছেন,

শিক্ষা সংক্রান্ত খবরাখবর নিয়মিত পেতে রেজিস্ট্রেশন করুন অথবা Log In করুন।

Account Benefit
পাসের হার ও জিপিএ ৫ বাড়লেও শিক্ষার মান সেই অর্থে বাড়ছে না। এসব কারণে গত কয়েক বছর ধরে শিক্ষাসংশ্নিষ্ট ব্যক্তিরা নানা ধরনের প্রশ্ন তুলে আসছেন।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ২০০১ সালে গ্রেডিং পদ্ধতি চালু হয়। সেখানে ৮০ থেকে ১০০ নম্বর প্রাপ্তদের গ্রেড পয়েন্ট ধরা হয় ৫। লেটার গ্রেড এ প্লাস। এটিই সর্বোচ্চ গ্রেড। এবার এই পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। নতুন গ্রেডিং পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ গ্রেড হবে ৪। যার নম্বর হবে ৯৫ থেকে ১০০। এ পদ্ধতিতে লেটার গ্রেডে এ প্লাস বলতে কিছু থাকবে না। প্রতি পাঁচ নম্বরের মধ্যে থাকবে দশমিক ১ গ্রেড। পাস নম্বর হবে ৪০। এ বছরের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা (জেএসসি) থেকেই এ পদ্ধতি কার্যকর করা হতে পারে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, 'নতুন পদ্ধতিতেও সিজিপিএ নয়, জিপিএতেই ফল প্রকাশ করা হবে। সর্বোচ্চ গ্রেড হবে ৪। চলতি বছরের জেএসসি থেকে তা কার্যকর করার কথা ভাবা হচ্ছে। এর পর ২০২০ সালের এসএসসি ও এইচএসসি সমমানের পরীক্ষাসহ সব পাবলিক পরীক্ষাতেই এ পদ্ধতি কার্যকর হবে।' এর উদ্দেশ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সব মান ও দেশীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে অর্থাৎ সব প্রতিষ্ঠান যেন তার ফলটা একটি অভিন্ন পদ্ধতিতে প্রণয়ন করতে পারে।

যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল আলীম বলেন, 'বর্তমান পদ্ধতির পরিবর্তন খুব জরুরি। এমসিকিউ, সিকিউ ও সৃজনশীল মিলে একই বিষয়ে তিনজন পরীক্ষক তিন রকম নম্বর দিচ্ছেন। তা যোগ হয়ে ফল তৈরি হচ্ছে। এটি সঠিক নয়। একটি গ্রেড পয়েন্ট থেকে অপর পয়েন্টের মধ্যে নম্বরের পার্থক্য খুব বেশি থাকায় আমার নিজের ছেলেও জিপিএ ৫ পায়নি।'

জানা গেছে, বর্তমান পদ্ধতিতে দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার ফল প্রকাশের সঙ্গে উচ্চশিক্ষার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। প্রাথমিক সমাপনী বা পিইসি পরীক্ষা থেকে জেএসসি, জেডিসি, এসএসসি, এইচএসসি স্তরের প্রতিটিতেই সর্বোচ্চ ফল জিপিএ ৫। অথচ দেশের বেশিরভাগ প্রাইভেট ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বোচ্চ ফল সিজিপিএ ৪। বিশ্বের বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ফল প্রকাশ করছে। অথচ আমাদের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে তা করা হচ্ছে না। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীলরা মনে করছেন, গ্রেডিং পদ্ধতিতে পরিবর্তন এলে কমবে শিক্ষার্থীদের নম্বরভিত্তিক বৈষম্য। একই সঙ্গে জিপিএ ৫ নিয়ে এক শ্রেণির অভিভাবকের অসুস্থ প্রতিযোগিতা কমবে। আর শিক্ষাবিদরা জানান, পুরোপুরি প্রস্তুতি নিয়েই নতুন এ পদ্ধতি চালু করা উচিত। শিক্ষার্থীদের যাতে কোনো ভোগান্তি না হয়, সেটিকে বিবেচনায় নিতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, 'বিশ্বের সঙ্গে সমতার জন্য এটি করা দরকার হলে ঠিকই আছে। তবে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নিয়ে তা করতে হবে। নইলে লেজে-গোবরে হয়ে যাবে।'

Submit Your Comments:
  • Career @ Edu Icon
  • call for advertisement
  • ADDRESSBAZAR | YELLOW PAGE
  • call for advertisement
  • call for advertisement
  • call for advertisement
  • Personal Horoscope | Rashi12.com
  • call for advertisement